০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্গম পাহাড়ে সড়ক উন্নয়নের সাথে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে  সেনাবাহিনীর ৩৪ ইসিবি

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: video; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: Beauty ; sceneMode: 0; cct_value: 5535; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 152.20157; aec_lux_index: 0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: 0; weatherinfo: null; temperature: 50;

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার আলো ছড়াতে কাজ করে চলেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পাহাড়ি অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের উদ্যোগে স্থাপিত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।  বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের মিলনপুর এলাকায় অবস্থিত মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুণনির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইসিবি।
রবিবার (৩১ আগস্ট) সকালে বিদ্যালটি পরিদর্শন করেন ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামসুল আলম (শামস) এনডিসি, পিএসসি।
বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে শিক্ষা কার্যক্রম এবং অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষে শিক্ষক ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। এসময় শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং বিদ্যালয়টিকে জাতীয় করণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন ব্রিগেড কমান্ডার।

পরিদর্শন অনুষ্ঠানে ২০ ইসিবি অধিনায়ক সহ ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের উর্ধতন কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, বিদ্যালয়ের সভাপতি নিরুপন চাকমা, প্রধান শিক্ষক পিংকি চাকমা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড পাহাড়ের সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে, বিশেষ করে মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পুণরায় প্রতিষ্ঠা করে এই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে পিছিয়ে ছিলো এবং আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো প্রতিষ্ঠানটি। সীমান্ত সড়কের কাজ শুরু হলে ২০ ইসিবির বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে পুণরায় বিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়টিকে জাতীয়করণের আওতায় আনার পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।
Tag :

রাঙামাটির গর্ব, জাতীয় মঞ্চে একের পর এক সাফল্যের নাম তাজিম রহমান

দুর্গম পাহাড়ে সড়ক উন্নয়নের সাথে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে  সেনাবাহিনীর ৩৪ ইসিবি

Update Time : ১১:৪৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার আলো ছড়াতে কাজ করে চলেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পাহাড়ি অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের উদ্যোগে স্থাপিত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।  বাঘাইছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের মিলনপুর এলাকায় অবস্থিত মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পুণনির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইসিবি।
রবিবার (৩১ আগস্ট) সকালে বিদ্যালটি পরিদর্শন করেন ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শামসুল আলম (শামস) এনডিসি, পিএসসি।
বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে শিক্ষা কার্যক্রম এবং অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষে শিক্ষক ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন তিনি। এসময় শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এবং বিদ্যালয়টিকে জাতীয় করণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহনের বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেন ব্রিগেড কমান্ডার।

পরিদর্শন অনুষ্ঠানে ২০ ইসিবি অধিনায়ক সহ ৩৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের উর্ধতন কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম, বিদ্যালয়ের সভাপতি নিরুপন চাকমা, প্রধান শিক্ষক পিংকি চাকমা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড পাহাড়ের সড়ক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে, বিশেষ করে মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পুণরায় প্রতিষ্ঠা করে এই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, মিলনপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে পিছিয়ে ছিলো এবং আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো প্রতিষ্ঠানটি। সীমান্ত সড়কের কাজ শুরু হলে ২০ ইসিবির বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে পুণরায় বিদ্যালয়ের পাঠদান শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়টিকে জাতীয়করণের আওতায় আনার পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী।