০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাঙ্গামাটিতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে চাকরি পেলেন ৮ জন

“সেবার ব্রতে চাকরি”—এই প্রতিপাদ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ৮ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছেন আরও ২ জন প্রার্থী।

রবিবার (৩১ আগস্ট ২০২৫ খ্রি.) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়।

শারীরিক, লিখিত, মৌখিক এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে স্বচ্ছ, তদবিরবিহীন ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মোট ৮ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এসময় পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “অত্যন্ত কঠিন প্রতিযোগিতামূলক, প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপনারা ভবিষ্যতে সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।”

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আবেগঘন অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে নির্বাচিত হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা বাংলাদেশ পুলিশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং দেশের সেবায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যগণও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

রাঙামাটির গর্ব, জাতীয় মঞ্চে একের পর এক সাফল্যের নাম তাজিম রহমান

রাঙ্গামাটিতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে চাকরি পেলেন ৮ জন

Update Time : ০৪:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

“সেবার ব্রতে চাকরি”—এই প্রতিপাদ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ৮ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছেন আরও ২ জন প্রার্থী।

রবিবার (৩১ আগস্ট ২০২৫ খ্রি.) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়।

শারীরিক, লিখিত, মৌখিক এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপ পেরিয়ে স্বচ্ছ, তদবিরবিহীন ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মোট ৮ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এসময় পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “অত্যন্ত কঠিন প্রতিযোগিতামূলক, প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আপনারা ভবিষ্যতে সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।”

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আবেগঘন অভিব্যক্তি প্রকাশ করে বলেন, নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে নির্বাচিত হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা বাংলাদেশ পুলিশকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং দেশের সেবায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যগণও এসময় উপস্থিত ছিলেন।