
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙামাটিতে যেন মাংস বিক্রিতে নৈরাজ্য চলছে! কোনো রকম স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই যত্রতত্র পশু জবাই করে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। এসব বিক্রেতাদের নেই কোনো ট্রেড লাইসেন্স, নেই প্রশাসনের অনুমোদন, এমনকি পশু সম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি চিকিৎসকের চেকআপও করা হয় না। ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি খেলা করা হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলো রহস্যজনকভাবে নীরব!
স্থানীয় বৈধ মাংস ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাতারাতি লাভের আশায় অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার পাশে নোংরা পরিবেশে পশু জবাই করে তারা মানুষের জীবনের সঙ্গে প্রতারণা করছে।
এক ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিই, নিয়ম মেনে পশু জবাই করি, অথচ কিছু লোক খোলা রাস্তায় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে পশুর মাংস বিক্রি করছে। প্রশাসন কী করছে?”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পশু সম্পদ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া জবাই করা পশুর মাংস খেলে ভয়াবহ রোগ ছড়াতে পারে। অথচ রাঙামাটির বাজারে নিয়মিত এভাবে নোংরা পরিবেশে দূষিত মাংস বিক্রি হচ্ছে।
এক স্থানীয় ক্রেতা বলেন, “আমরা জানি না, আমরা কী খাচ্ছি! এটা কী সুস্থ পশুর মাংস, নাকি কোনো অসুস্থ পশু জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে? সংশ্লিষ্ট দপ্তর চুপ কেন?”
ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ মাংস ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
রাঙামাটির সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, যদি এখনই কঠোর অভিযান না চালানো হয়, তাহলে জনস্বাস্থ্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন— আইন কি কেবল সাধারণ মানুষের জন্য? অবৈধ ব্যবসায়ীদের কেন ছাড় দেওয়া হচ্ছে?
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কি সত্যিই কোনো ব্যবস্থা নেয়, নাকি সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে এই খেলা চলতেই থাকবে!